Recruitment Scam: পুরসভায় দেদার চাকরি বিক্রির অভিযোগ, ৭ লক্ষে Group C বা টাইপিস্ট ৪ লাখে ড্রাইভার!

সম্প্রতি পুরসভায় নিয়োগে দুর্নীতির আসরে আসা হয়েছে, যার অভিযোগ অত্যন্ত গম্ভীর রূপে প্রকাশ্য হয়েছে। পুরসভার পদসংখ্যা নির্ধারণ না হওয়া সমস্যার মধ্যে এই দুর্নীতির চেষ্টা অবগত হয়েছে, যেখানে শ্রমিক, গাড়ির চালক, সাফাইকর্মী, এবং টাইপিস্ট পদে চাকরির জন্য টাকা নেওয়া হয়েছে। এই চাকরির বাজারে সরকারি চাকরির ‘রেট কার্ড’ সাজিয়ে রাখা হয়েছে



পুরসভায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদসংখ্যা নির্ধারণ না হওয়া সমস্যার মধ্যে চাকরি দুর্নীতির চেষ্টা অবগত হয়েছে। এই দুর্নীতির অধিকার মোদির হাতে প্রাপ্ত হয়েছে এবং এর পরিণামে বেশী টাকা নেওয়া হয়েছে। তারপরও এই দুর্নীতি প্রতিরোধ করতে অন্যান্য পদে চাকরির জন্য দান দর বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, যেগুলির মধ্যে টাইপিস্টের চাকরির রেট ৭ লক্ষ টাকা থেকে শুরু হয়েছে। এই সরকারি চাকরির চেষ্টা সম্পর্কে নতুন আলোচনা করেছে, যেখানে সিপিএমের পাল্টা প্রশ্ন উঠেছে যে, এই দুর্নীতি সম্পর্কে কী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানেন?

➡️ SBI Bank: এবার দুয়ারে ব্যাঙ্ক! বাড়িতে বসে ব্যাঙ্কিং, এটিএম-এ যাওয়ার দরকার নেই

সিপিএমের সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী খুবই জ্ঞানী লোক, উনি সবই জানেন, কিন্তু কিছুই বোঝেন না। ওনার বলার দরকারটা কী এখন, ওনার তো করার কথা! প্রধানমন্ত্রী জানেন বলে না বলে, ওনার বলা উচিত ছিল, আমি জানি, কিন্তু আমি কিছু করিনি, আমি প্রশ্রয় দিয়েছি, আমি ওদের বাঁচাতে চাই।’ সাধারণ মানুষের মধ্যে প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি চিরদিন অবহেলিতই থেকে যাবেন যোগ্যরা? যাদের চাকরি চুরি গেছে, যে যোগ্যরা বঞ্চিত হয়েছেন, তাঁরা কি আদৌ কোনওদিন সুবিচার পাবেন? দিনের প্রতিটা মুহূর্তে রাজ্য, দেশ তথা বিশ্বজুড়ে ঘটে চলেছে বহু ঘটনা।*

আরও নতুন বিস্তারিত খবরের জন্য আমাদের হোয়াসটঅ্য়াপ চ্যানেলে.

Leave a Comment